প্রবন্ধ
কবিতার ভিত্তি
আমিরুল বাশার

গল্প
ফজলুল আলম

নিবন্ধ
রবীন্দ্রনাথের নন্দলাল
শেখ মিরাজুল ইসলাম

উপন্যাস
আর জে রাজহংসী
মারুফ রায়হান

বিশ্বসাহিত্য
শতবর্ষের নীরবতা
আকিল জামান ইনু

গদ্য
কবিতা কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে

জর্নাল
নুরুল করিম নাসিম

শিল্পকলা
বাংলাদেশের চিত্রকলায় রেখা
নাজিব তারেক

বইপত্র

বিশেষ রচনা
হোমারের জন্য প্রশস্তিগাথা
অনুবাদ: মাসরুর আরেফিন

স্মরণ
 সৈয়দ শামসুল হক

জীবনকথা
এক আশ্চর্য বয়স
ওয়াসিমা ওয়ালী

অনুবাদ গল্প
বন্ধন
ডাব্লিউ ডাব্লিউ জেকবস
অনুবাদ: তানিয়া হাসান

টরেন্টোর চিঠি
শামীম আহমেদ

অস্ট্রেলিয়ার চিঠি
ফজল হাসান

এবং
কবিতাগুচ্ছ

১০ বর্ষ ৫ সংখ্যা
ডিসেম্বর  ২০১৭

লেখক-সংবাদ : ছোটগল্পে ছোট ছোট বোমা ফাটানোর নতুন কৌশল আফসান চৌধুরীর * উপন্যাস লিখছেন কাফকা-সাহিত্যের অনুবাদক-ব্যাখ্যাকারী মাসরুর আরেফিন * টিভির স্থিরতাবিনাশী সময়কে সরিয়ে গল্প-ফিকশনে ফিরলেন মাসউদুল হক * হাওড়ে হাওড়ে সরকার আমিনের তুমুল পঞ্চাশ * হিন্দি কবিতার অনুবাদে মজেছেন সাবেরা তাবাসসুম * অক্টোবরে দেশে ফিরছেন আহমাদ মাযহার, সঙ্গে মার্কিন মুল্লুকের টাটকা সব উপাখ্যান *  রচনাসমগ্রের ভূমিকা লিখছেন কাজল শাহনেওয়াজ * রঙ-তুলিকে কিছুটা বিশ্রামে দিয়ে কবিতা লেখার কলম তুলে নিলেন নাজিব তারেক * সাব্বির হাসান নাসির এবার সুফিসাহিত্যে নয়, ভ্রমণকাহিনিতে তুলে আনছেন ক’জন মহান মানব * চিত্রপ্রদর্শনী নয়, সামনে রাকীব হাসানের কাব্য-প্রকাশনা * মার্কেজের নীরবতার একশ’ বছরের সুবর্ণজয়ন্তী প্রকাশনা নিয়ে ব্যস্ত জিএইচ হাবীব *





মুক্তি
মূল: উইলিয়াম সমারসেট মম, অনুবাদ: রেজা কারিম
আমি সবসময় উপলব্ধি করেছি যে, যদি কোনো নারী একবার মন¯ি’র করে যে, সে কোনো পুরুষকে বিয়ে করবে তবে তার কাছ থেকে সে পুরুষটির বাঁচার কোনো পথ নেই। অবশ্য সবসময় তা নয়। আমার এক বন্ধুর বেলায় যেমন দেখেছি; বিয়ে করার ভয়ে যে পালিয়েছিল। একটা বন্দর থেকে জাহাজে করে সে বেড়িয়ে পড়েছিল। সাথে নিয়েছিল তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এক বছর সে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করলো। কিন্তু যখন সে নিজেকে নিরাপদ মনে করলো ( নারীরা হলো খামখেয়ালিপূর্ণ। সে ভাবলো, এই এক বছরে সে তার সম্পর্কে সবকিছু ভুলে যাবে) সেই পুরনো বন্দরেই সে নামলো। নেমেই সে প্রথম যাকে দেখলো সে আর কেউ নয়। যার থেকে সে একদিন পালিয়েছিল সে তার দিকে হাসি হাসি মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। আমি একমাত্র একজন মানুষকেই চিনি যে এই রকম পরি¯ি’তি থেকে নিজেকে উদ্ধার করতে পেরেছিল।

তার নাম রজার চারিং। সে তখন এতটা যুবক বয়সের ছিল না যখন সে রুথ বারলোর প্রেমে পড়ে। আর সে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা স য় করেছিল নিজেকে সতর্ক করার মতো। কিন্তু রুথ বারলোর একটা গুণ ছিল যা বেশিরভাগ পুরুষকেই অসহায় করে দেয়। এটা ছিল এমন যা রজারকে তার সাধারণ চেতনা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তার দূরদর্শিতা ও বাহ্যিক জ্ঞানকে উৎখাত করে দেয়। সে যেন একটা ক্রীড়নক হয়ে যায়। এটা ছিল উদ্দীপনার পুরষ্কার। রুথ বারলো, সে ছিলো দুইবারের বিধবা। তার ছিলো একজোড়া জমকালো চোখ। এবং আমার দেখা মতে এ চোখ জোড়া অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও বুদ্ধিদীপ্ত। যে চোখজোড়া আবার টলমলে পানিতে পরিপূর্ণ। তারা স্বাক্ষ্য দেয় যে, পৃথিবীটা তার জন্য খুবই কষ্টের। আর তোমার মনে হবে যে, আহারে তার কষ্ট পৃথিবীর যে কারোর চেয়ে বেশি। হয়তো এমন দুঃখ আর কেউ বহন করতে অক্ষম।

যদি রজার চারিংয়ের মতো তুমি শক্তিশালী হতে। প্রবল ক্ষমতাবান আর প্রচুর অর্থের মালিক হতে। এটা অবশ্যই অপরিহার্য হতো যে, তোমার নিজেকেই বলা উচিত, ‘‘আমি অবশ্যই দাঁড়াবো জীবনের বিপর্যয় ও এসব অসহায় জিনিসের মাঝখানে।’’ আহা কতই না সুন্দর হতো যদি ঐ বড় ও চমৎকার চোখজোড়া থেকে দুঃখকে সরিয়ে দেয়া যেতো।

আমি রজারের কাছ থেকে জেনেছি যে , প্রত্যেকেই মিসেস বারলোর সাথে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেছে। সে ছিল সম্ভবত ঐ সব দুর্ভাগাদের একজন যাদের কোনো কিছুই সুন্দর কাটে না। যদি সে কাউকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতো, সে তাকে মারধর করতো। যদি সে কারো চাকরি করতো, সে তাকে ঠকাতো। যদি সে রান্নার সাথে জড়িত হতো , তাকে ড্রিংক করতে হতো। তার কখনোই কোনো ছোট্ট একটি ভেড়াও থাকতো না কারণ থাকলে সেটি মারা যেতো।

যখন রজার আমাকে বললো যে, সে শেষ পর্যন্ত বারলোকে পটিয়েছে তাকে বিয়ে করার জন্য। আমি তাকে স্বাগতম জানিয়েছি।
‘আমি আশা করি তুমি ভালো বন্ধু হবে’, সে বললো। ‘তার তোমাকে নিয়ে ছোট্ট একটা ভয় আছে। তুমি জানো, সে মনে করে তুমি অনুভূতিহীন।’
‘খোদার কসম। আমি জানি না কেন সে এমনটি মনে করে।’
‘তুমি তাকে পছন্দ করো। করো না?’
‘খু-উ-ব।’
‘প্রিয় বন্ধু। তার মন্দ একটা সময় গেছে।তার জন্য আমার খুব খারাপ লাগে।’
‘হ্যাঁ।’ আমি বললাম।

আমি আর বলতে পারলাম না। আমি জানতাম সে বোকা মহিলা। আর ভাবতাম সে ফন্দিবাজ। আমার নিজস্ব বিশ্বাস ছিল যে সে পেরেকের মতো কঠিন।

প্রথমে আমি তার সাথে দেখা করি। আমরা একসাথে ব্রিজ খেললাম। যখন সে আমার সাথে খেললো সে দুইবার আমার সেরা কার্ড জিতে নেয়। আমি একজন স্বর্গীয় দূতের মতো আচরণ করলাম। কিন্তু আমি স্বীকার করি যে, আমি ভাবলাম যদি অশ্রু দিয়ে  কারো চোখকে ভিজিয়ে দেয়া যেতো তবে তা আমার; তার নয়। সন্ধ্যার শেষের দিকে সে আমার কাছে খেলায় হেরে যায়। সে বলে, সে আমাকে একটা চেক পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু সে তা কখনোই করেনি। আর আমি মনে করি যে, পরবর্তীতে যদি কখনো আমাদের দেখা হয় তবে আমি ও সে দুজনেই মর্মান্তিক আবেগের মাঝে পড়ে যাবো।

রজার বারলোকে তার বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। সে তাকে ভালো ভালো গয়না দেয়। সে তাকে নিয়ে এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ায়। অবশ্যম্ভাবী ভবিষ্যতের জন্য তাদের বিয়ের কথা ঘোষিত হয়। রজার খুব খুশি। সে একটি ভালো কাজে লিপ্ত। মনের দিক থেকেও তার ভালো সময় কাটছে। এটি একটি অস্বাভাবিক পরি¯ি’তি। আর এটা মোটেও আশ্চর্যের ছিল না যে যদি সে অলসভাবে তার নিজের প্রতি সন্তুষ্ট থাকতো তবুও সবকিছুই ঘটতো।

তারপর হঠাৎ তার মধ্য থেকে ভালোবাসা উধাও হয়ে যায়। আমি জানি না কেন। এমনটাও হয়নি যে, সে তার কথাবার্তায় বিরক্ত। আর এমন কোনো কথা বারলো বলেওনি। সম্ভবত তার চেহারা দেখাটাও তার কাছে মর্মান্তিক লাগে এবং তার হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করে। তার চোখগুলো ছিলো খোলা এবং সে একদা বিশ্বের বিচক্ষণ ব্যক্তিদের একজন ছিল। সে কঠোরভাবে সচেতন হয় যে রুথ বারলো তার মনকে তাকে বিয়ে করার জন্য প্র¯‘ত করেছে। সে কঠোরভাবে শপথ নিয়েছে যে কোনকিছুই রুথ বারলোকে বিয়ে করতে তাকে রাজি করাতে পারবে না। কিন্তু সে একটা মুশকিলে ছিল। সে তার বিবেকের অধিকারে ছিল এবং সে পরিষ্কার দেখলো নারীর বিভিন্নতা যা তাকে মানতে হতো। আর এখন সে সচেতন। যদি সে তাকে মুক্তি দিতে বলতো, সে তার অনুভূতিগুলো আহত হতো। আর এটা সর্বদাই বেমানান কোনো পুরুষের জন্য যে সে কোনো নারীকে ছেঁকা দেয়। লোকজন যথাযথ চিন্তা করে যে সে একটি খুব খারাপ কাজ করেছে।

রজার তার নিজ মতামত বহাল রাখে। সে কোনো কথাও দেয়নি, এমনকি ইঙ্গিতও করেনি যে, রুথ বারলোর প্রতি তার অনুভূতিগুলোর পরিবর্তন হয়েছে। সে তখনও তার ই”ছাগুলোর প্রতি মনোযোগী ছিল। সে তাকে রেস্টুরেন্টে ডিনারে নিয়ে যায়। একত্রে খেলাধুলা করে। ফুল দেয়। সে ছিল দয়ালু ও মনোমুগ্ধকর। তারা ঠিক করলো যে তারা উভয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবে আর যত শীঘ্র সম্ভব একটা সুন্দর বাসা খুঁজে বের করবে। যেখানে রজারের একটা চেম্বার থাকবে। আর বারলো সুন্দর করে ঘরটা সাজাবে। তারা তাদের সুন্দর ও কাঙ্খিত বাসার পরিকল্পনা করে। রজার বারলোকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বাসা খুঁজে দেখে। কিন্তু এটা খুবই কঠিন সন্তুষ্ট হওয়ার মতো বাসা খুঁজে পাওয়া। রজার বিভিন্ন প্রতিনিধি ঠিক করলো বাসা খোঁজার জন্য। তারা একের পর এক বাসা খুঁজে দেখে। তারা একাগ্রচিত্তে তাদের জন্য বাসা খোঁজে। বাসার ভুগর্ভস্থ কক্ষ ও চিলেকোঠাসহ সমস্তকিছু তারা পর্যবেক্ষণ করে। কিন্তু কিছুই ঠিকমতো হয় না। কোনোটা বড় হয়। কোনোটা ছোটো হয়। কোনোটা লম্বা হয়। কোনোটা খাটো হয়। কোনোটা বেশি খোলামেলা আবার কোনোটা গুমোট পরিবেশের হয়ে যায়। কোনোটা অত্যন্ত ব্যয়বহুল আবার কোনোটা মেরামতের যোগ্য। কোনোটা শ্বাসরোধী। কোনোটা অতিরিক্ত বায়বীয়। কোনোটা অতিরিক্ত অন্ধকারা”ছন্ন। কোনোটা আনন্দহীন। রজার সবসময় কোনো না কোনো খুঁত বের করে যাতে করে সে বাসাটা অনুপযোগী হয়ে যায়। অবশ্যই রজার মোটেও সন্তুষ্ট ছিলো না। সে তার প্রিয় রুথের জন্য একটি উপযোগী বাসা খুঁজে বের করার পক্ষে। আর উপযুক্ত বাসার জন্য প্রচুর খোঁজাখুঁজি করতে হয়। বাসা খোঁজা অত্যন্ত বিরক্তিকর ও ক্লান্তিকর কাজ। আর বর্তমানে রুথ বদরাগী হতে শুরু করে। রজার তাকে ধৈর্যশীল হতে বলে। যেখানেই হোক তারা তাদের কাঙ্খিত বাসাটি চায়। এজন্য দরকার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা যাতে করে তারা এটা খুঁজে পায়। তারা শত শত বাসা দেখেছে। তারা হাজার হাজার সিঁড়ি ভেঙেছে। তারা অসংখ্য রান্নাঘর পর্যবেক্ষণ করেছে। রুথ খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। সে অনেকবার তার মেজাজ হারিয়েছে।

“তুমি যদি শীঘ্রই একটা বাসা খুঁজে না পাও,’ সে বললো, “আমি আমার অবস্থানটা পুনর্বিবেচনা করে দেখবো। যদি এমনটা চলতে থাকে তবে আমরা কখনোই বিয়ে করতে পারবো না।”
“এ কথা বলো না’, রজার উত্তর করে, “আমি তোমাকে অনুরোধ করি তোমার ধৈর্য রাখার জন্য। আমি আমার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ নতুন একটা তালিকা পেয়েছি। আমি এখনই তা শুনলাম। তালিকায় প্রায় ষাটটি বাসার উল্লেখ আছে।”
তারা পুনরায় বের হয়ে পড়ে। তারা আরও অনেক অনেক বাসা দেখে। দুই বছর ধরে তারা বাসা দেখে আসছে। রুথ নির্বাক ও হতাশ হয়ে যায়। তার মর্মান্তিক ও সুন্দর চোখজোড়া একটা অনুভূতি তালাশ করে বেড়ায়। যে অনুভূতি এখন প্রায় অন্ধকারা”ছন্ন। তার মানবিক সহনশীলতার অবক্ষয় হয়েছে। মিসেস বারলোর ধৈর্যশক্তি ছিলো একজন ফেরেশতার মতো। কিন্তু অবশেষে সে বিদ্রোহ করে।

“তুমি কি আমাকে বিয়ে করতে চাও নাকি চাও না?” সে রজারকে প্রশ্ন করে।
তার কথায় অপরিচিত কর্কশ একটি কন্ঠ ভেসে আসে। কিন্তু রজারের সুচিন্তিত উত্তরকে তা প্রভাবিত করেনি।
“অবশ্যই আমি বিয়ে তোমাকে বিয়ে করবো। একটা চমৎকার বাসা খুঁজে পাবার সাথে সাথেই আমরা বিয়ে করে ফেলবো। যাহোক, আমি এইমাত্র এমন কিছু শুনলাম যা আমাদের আনন্দিত করবে।”
“আর একটি বাসাও খুঁজে দেখার মতো আমি আর ভালো অনুভব করছি না।”
“ওহ প্রিয়। আমি খুবই ভীত। তোমাকে খুবই ক্লান্ত দেখাচ্ছে।”
রুথ বারলো চলে যায়। সে আর রজারকে দেখবে না। রজারকেও তার নিজেকে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। সে রুথের জন্য বাসা খুঁজে বেড়ায়। তাকে ফুল পাঠায়। সে ছিল উদ্যোগী ও প্রেমপূর্ণ। প্রতিদিন সে তাকে চিঠি লেখে। চিঠিতে জানায় তাদের জন্য নতুন আরেকটি বাসার কথা শুনেছে। যা দেখতে হবে। এক সপ্তাহ পর সে রুথের কাছ থেকে একটি চিঠি পায়।

রজার,
আমার মনে হয় না তুমি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো। আমি এমন একজনকে পেয়েছি যে আমাকে নিয়ে সত্যিই উদ্বিগ্ন। আর আমি আজ তাকে বিয়ে করতে যা”িছ।
ইতি
রুথ

রজার একজন বিশেষ দূতের মাধ্যমে তার উত্তর পাঠায়।

রুথ,
তোমার চিঠির সংবাদ আমাকে মর্মাহত করেছে। আমি আর কখনই আনন্দিত হতে পারবো না। কিন্তু অবশ্যই তোমার সুখই হবে আমার প্রথম বিবেচনা। আমি তোমাকে সাতটি বাসার ঠিকানা দি”িছ। যা আজ সকালেই আমার কাছে পৌঁছেছে। আমি নিশ্চিত যে, এগুলোর মধ্য তুমি এমন একটি বাসা খুঁজে পাবে যা সত্যিই তোমার পছন্দ হবে।
ইতি
রজার

( ‘মুক্তি’ গল্পটি উইলিয়াম সমারসেট মম’র ‘দ্য এস্কেপ’ গল্পের অনুবাদ। সমারসেট মম (১৮৭৪-১৯৬৫) ছিলেন একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গল্পকার।)